ইকুয়েডরে ঘর দোকান ও সড়ক থেকে ৭৭১টি মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ৭৭১ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার হয়েছে গুয়াকুইল শহরের বিভিন্ন ঘর দোকান ও সড়ক থেকে।

দেশটিতে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি প্রথম করোনা শনাক্ত করা হয়। এখন পর্যন্ত সেখানে শনাক্ত হয়েছে ৭ হাজার ৫শ’রও বেশি মানুষ। আর সরকারি হিসেবে মৃত্যু হয়েছে ৩৩৩ জনের।

সোমবার বিবিসি ও আলজাজিরা জানায়, কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহে  দেশটির গুয়াকুইল শহরের বিভিন্ন বাড়ি, দোকান ও সড়ক থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৭৭১টি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে সরকারিভাবে এসব মৃত্যুর কারণ উল্লেখ করা হয়নি। কিন্তু স্থানীয়রা বলছে করোনার কারণেই এদের মৃত্যু হয়েছে।

ইকুয়েডরের গুয়ায়েস প্রদেশের রাজধানী এই গুয়াকুইল শহর সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্ত। সারা দেশের ৭০ শতাংশ আক্রান্তই এ শহরের। ব্যাপক আকারে করোনা সংক্রমণের মুখে ধসে পড়েছে এর জরুরি সেবা, হাসপাতাল, মর্গ ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার ব্যবস্থা।

মরদেহ সৎকারে সরকারি কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতার কারণে মানুষজন দিনের পর দিন স্বজনদের লাশ ঘরে রাখতে বাধ্য হচ্ছে। আবার কেউ কেউ রাস্তায় মরদেহ ফেলে দিতেও বাধ্য হচ্ছে।

গুয়াকুইল শহরের অনেক বাসিন্দাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাস্তায় পড়ে থাকা পরিত্যক্ত মরদেহের ছবি পোস্ট করছেন। তারা এসব মরদেহ সৎকারের অনুরোধ জানাচ্ছেন।শহরের পুলিশ অফিসার জর্জ ওয়েটেড বলেন, আমরা মানুষের বাড়ি থেকে সংগ্রহ করেছি এমন মরদেহের সংখ্যা ৭শ’রও বেশি।