আশুগঞ্জে ‘জলবায়ু সঙ্কট : অস্তিত্ব রক্ষায় করণীয়’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

বাবুল সিকদার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি::মানবসৃষ্ট নানা কারণে দিনদিন বিনষ্ট হচ্ছে আমাদের পরিবেশ-প্রতিবেশ। ব্যাপক হারে কার্বন নিঃসরণের ফলে উদ্বেগজনক হারে বেড়ে চলেছে বৈশ্বিক তাপমাত্রা। বৈশ্বিক উষ্ণতার বিরূপ প্রভাবে অস্তিত্ব সংকটে পড়তে যাচ্ছে খোদ মানবসভ্যতাই।

বিশেষ করে সমুদ্রে বিলীন হয়ে যাবার আশঙ্কায় পড়েছে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সাগর-তীরবর্তী অঞ্চলসমুহ।এ অবস্থায় জলবায়ু সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত হল ‘জলবায়ু সঙ্কট” অস্তিত্ব রক্ষায় করণীয়’শীর্ষক সেমিনার।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭ টায় আশুগঞ্জ প্রেসক্লাবের নাসির আহমেদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নাজিমুল হায়দার। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সেলিম পারভেজ। প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আল মামুনের সঞ্চালনায় সেমিনারে মূখ্য আলোচক ছিলেন,

জলবায়ু সচেতনতা আন্দোলনের কর্মী বীরমুক্তিযোদ্ধা প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর খন্দকার। অন্যান্যদের মাঝে বক্তৃতা করেন,কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ নেতা ও বাংলাদেশ আইন সমিতির সাবেক সভাপতি এ্যাড.কামরুজ্জামান আনসারী,আশুগঞ্জ শহর শিল্প ও বণিক সমিতি সভাপতি গোলাম হোসেন ইপটি, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর আশুগঞ্জ উপজেলা সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান,

সরকারি ফিরোজ মিয়া কলেজের উপাধ্যক্ষ আহম্মদ উল্লাহ খন্দকার, সরকারি হাজী আব্দুল জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ হুমায়ুন কবির,রওশন আরা জলিল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল আজাদ,আশুগঞ্জ টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ আক্তারুজ্জামান রঞ্জন,সাধারণ সম্পাদক সাদেকুল ইসলাম সাচ্চু,

কার্যকরি সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম ও সদস্য মোঃ আনোয়ার হোসেন।এছাড়াও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মী ও প্রেসক্লাবের সদস্যরা সেমিনারে অংশ নেন। সেমিনারে বক্তারা বলেন, জলবায়ু সঙ্কট মোকাবিলায় বিশ্ব নেতৃত্ব উদাসীন রয়েছে।

কেউ কেউ আবার নেতিবাচক মনোভাবও পোষণ করছেন। এ অবস্থায় সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি হলেই কেবল বিশ্বব্যাপি আন্দোলন গড়ে উঠতে পারে। যাতে বিশ্ব পরিচালকদের এ ভয়াবহ সঙ্কট উত্তরণে কাজ করার বোধদ্বয় হবে।

বক্তারা জলবায়ু সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি ব্যাক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে বাতাসে কার্বনের নিঃসরণ কমিয়ে আনা,বায়ু,পরিবেশ ও নদী দুষণ বন্ধ করা এবং প্রচুর পরিমানে গাছ লাগানোর আহবান জানান।