আমফান মোকাবেলায় দশমিনা ১৩০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত, সচেতনতায় প্রচারনা

সঞ্জয় ব্যানার্জী, দশমিনা-বাউফল প্রতিনিধি: ঘূর্ণিঝড় আমফানের তান্ডবতা দেখা দিয়েছে পটুয়াখালীর দশমিনায় । বুধবার সকাল থেকে বাতাশের গতিবেগ বাড়তে শুরু করেছে । ঝড়ো গতিতে দমকা হাওয়ার পাশাপাশি গুড়িগুড়ি বৃষ্টি লক্ষ্য করা গেছে। উপজেলা তেতুলিয়া নদী বেষ্টিত স্বাভাবিকের চেয়ে ৩/৪ ফুট জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। প্লাবিত হয়েছে নিম্মাঞ্চল। তবে মঙ্গলবার সারাদিন উপজেলার সর্বত্র রৌদ্রজ্জ্বল আবহাওয়া থাকলেও সন্ধ্যার পর কয়েকবার বৃষ্টি হয়েছে। রাত বাড়ার সাথে সাথে আকাশে বিজলীসহ দমকা হাওয়া বয়ে যেতে দেখা গেছে।

এদিকে ঘূর্ণীঝড় আমফান সচেতনতায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। আমফান সচেতনতায় প্রশাসন ও সিপিপি’র উদ্যোগে প্রচারনা চালানো হয়েছে। উপকূলের অলিগলি-রাস্তাঘাটে জনসাধারনকে সচেতন করতে প্রচারনা ও সতর্ক করতে মাইকিং করে। পাশাপাশি মানুষকে বাড়ি থেকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসার চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন। এদিকে চরাঞ্চলে আশ্রয় কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়াও চরের বাসিন্দাদেরকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসা হচ্ছে। এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসাঃ তানিয়া ফেরদৌস জানান, উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির মিটিং করা হয়েছে।

ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। চরের বসবাসরত মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। উপজেলা কন্ট্রোলরুম খোলা সহ ১৩০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এবং শুকনো খাবার মজুদ করা হয়েছে। উপজেলা সিপিপি’র টিম লিডার পিএম রায়হান বাদল জানান, উপজেলা সিপিপি’র ১১৯৫জন স্বোচ্ছাসেবী কর্মী স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে ও দূর্যোগ পরবর্তী সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন। এদিকে জোয়ারের ঢেউয়ের তীব্রতায় উপজেলার বাঁশবাড়িয়া, দশমিনা সদর, রনগোপালদী ইউনিয়নের বেড়ীবাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। দ্রুত বেড়ীবাঁধ রক্ষা করারা দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।