আত্মসমর্পন না করলে কঠোর পরিণতি হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে খুন ও ধর্ষণ ছাড়া বাকি সব মামলা তুলে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাস্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। শনিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে কক্সবাজারের মহেশখালীর কালারমারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে কক্সবাজারে জেলা পুলিশ আয়োজিত জলদস্যু ও অস্ত্রকারিগরদের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় মন্ত্রী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন যারা এখনো আত্মসমর্পণ করেনি, আমরা সবার নাম-ঠিকানা পেয়ে গেছি। তারা যদি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে না আসে, তাহলে তাদের কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে।

‘বাংলাদেশ এখন সারাবিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল’ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এই দেশকে দস্যু, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত করে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় এদেশকে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত করা হবে।

সুন্দরবন এখন দস্যুমুক্ত। আমরা জোর গলায় বলতে পারি, দেশকে দস্যু, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত করতে কাজ করছে এ সরকার জানিয়ে  তিনি বলেন কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হচ্ছে এবং এই এলাকায়  বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি করা হচ্ছে। সাবরাংকে পর্যটনের জন্য বিশেষ জোন হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। তিন লাখ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প চলছে।

আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আশার জন্য  আত্মসমর্পণকারী ৯৬ জলদস্যুর প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, এদিন সকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের হাতে অস্ত্র জমা দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন কক্সবাজারের মহেশখালীর ৯৬ জন জলদস্যু ও অস্ত্রকারিগর। এদের মধ্যে রয়েছেন বহুল আলোচিত অস্ত্রকারিগর জাফর আলমসহ ১৮টি বাহিনীর জলদস্যুরা।

এসময় তারা ১৫৫টি দেশি অস্ত্র, ২৭৫ রাউন্ড কার্তুজ ও অস্ত্র তৈরির নানা সরঞ্জাম জমা দেন।