আজমিরীগঞ্জ তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশ সহ আহত ২০

 সুশীল চন্দ্র দাস, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে ৫ নং শিবপাশা ইউনিয়নে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশ সহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে ৷ পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ২৩ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ৬রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্হতি নিয়ন্ত্রনে আনে। স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, ১৫ জুন সোমবার বিকাল বেলা আজমিরীগঞ্জ উপজেলা কৃষক লীগের আহবায়ক মোঃহিফজুর রহমান ও শিবপাশা ইউনিয়নের শ্রমিক লীগের আহবায়ক মোঃসাবান মিয়ার মধ্যে কার মোটর সাইকেল দামী এ নিয়ে বাকবিতন্ডা সহ হাতাহাতির ঘঠনা ঘটে ৷

এরই জের ধরে সোমবার রাত অনুমানিক ৮ টার দিকে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় ২ ঘন্টা ব্যাপি সংঘর্ষে পুলিশের ১ এস আই ও ২ কনষ্টেবল সহ উভয়পক্ষের আনুমানিক ২০জন আহত হয়। খবর পেয়ে আজমিরীগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত মোহাম্মদ আবু হানিফ ও এসআই মফিজুল হকের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ২৩ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ৬ রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্হিতি নিয়ন্ত্রনে আনে এবং ১৩ দাঙ্গাবাজকে আটক করেন ৷

আটককৃতরা হলো , খন্দকার বাড়ির সাবান মিয়ার পুত্র টিপু(১৯),নুর মিয়ার পুত্র ছোটন (২৫),রুপ মিয়ার পুত্র ডালিম(১৯),মৃত ছিদ্দিক উল্ল্যার পুত্র তরিকুল ইসলাম(৪৭), আন্জাবাড়ির আঃ জলিলের পুত্র নজরুল ইসলাম(২৭),নরুল ইসলামের পুত্র শেখ উদ্দিন (৪০),বন্দের বাড়ির খুশমান মিয়ার পুত্র সামায়ুন মিয়া (২৮),এবং উত্তরবাড়ি পাড়ার মান উল্ল্যার পুত্র ইয়াউর(২৫),আখের আলীর পুত্র খোকন( ২৮),মৃত মতি মিয়ার পুত্র মেজবাহ (২৭),আক্কল আলীর পুত্র মোতাব্বির(৩০),কলিম উল্লার পুত্র আকলু মিয়া (২৫),আমান উল্ল্যার পুত্র মাসুক(২২) ৷

এ বিষয়ে শিবপাশা পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক শাহ আলম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করছেন ৷ এ বিষয়ে আজমিরীগঞ্জ থানার ওসি(তদন্ত) আবু হানিফ জানান খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ২৩ রাউন্ড রাবার বুলেট এবং ৬ রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্হিতি নিয়ন্ত্রনে আনি, এবিষয়ে পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে ৷ পরিস্হিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে৷