অবৈধ অটো রিক্সার দখলে আশুগঞ্জের রাস্তা-পথচারীদের দূর্ভোগ চরমে

বাবুল সিকদার,আশুগঞ্জ ( ব্রাহ্মণবাড়িয়া ) প্রতিনিধি: রিক্সা এ দেশের অনেকেরই প্রিয় বাহন। খোলামেলা বলে চড়তে আরাম,ভাড়াও অধিকাংশ সময় নাগালে থাকে,হাওয়া খেতে খেতে যাওয়া যায়, রিক্সা ভ্রমন কারো কারো কাছে রোমাঞ্চেরও বিষয় সব মিলিয়ে রিক্সা চড়তে পছন্দ করেন না এমন লোক খুব একটা পাওয়া যাবে না। তবে রিক্সায় চড়ার উল্টো দিকও আছে। যানজটের অন্যতম কারণ ও শব্দ দূষণ।

অতিরিক্ত এলইডি হেডলাইটের কারণে মানুষের দূষ্টিশক্তি হারিয়ে যেতেপারে অভিযোগ হিসেবে রিক্সাকেই চিহ্নিত করা হয়। যখন তখন দুর্ঘটনা, যত্রতত্র পার্কিং, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় কিংবা রিক্সাওয়ালার দুর্ব্যবহারসহ আছে আরো নানা বিড়ম্বনা।

আশুগঞ্জে অবৈধ অটো রিক্সার সংখ্যা বৈধ রিক্সা থেকে তিন গুণ বেশি। আশুগঞ্জে মোটর গাড়ির মতোই দাপট নিয়ে চলা এসব রিচার্জেবল ব্যাটারি চালিত অবৈধ অটো ও রিক্সার কারণে আগের চেয়েও বেড়েছে দুর্ঘটনা, যানজট। সাথে রিচার্জেবল ব্যাটারি দিয়ে এসব রিক্সা চালাতে হয় বলে বিদ্যুতের অপচয় ঘটছে। দিন যত যাচ্ছে ততই বাড়ছে ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সার সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। অটো রিক্সার বৃদ্ধির কারণে বেড়েছে সড়ক দুর্ঘটনাও।

অটোরিক্সার সংখ্যা বৃদ্ধি, মহাসড়কের উপর ও আশুগঞ্জ বাজারে যত্রতত্র পার্কিং, অদক্ষ ও অপ্রাপ্ত বয়স্ক চালকের অসাবধানতা কারণ। আর এইসব শিশু চালকের কারণে প্রাণনাশ হইতে পারে অনেক পরিবারের।
রিচার্জেবল ব্যাটারি চালিত অবৈধ অটো রিক্সা ও রিক্সা গুলো চলছেই প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়ে। সাধারণ রিক্সার সাথে বাজার থেকে কেনা ইউপিএস,ব্যাটারি এবং ছোট মটর সংযোগকারী এসব রিচার্জেবল ব্যাটারি চালিত অবৈধ অটো ও রিক্সার আধিপত্য এখন আশুগঞ্জ জুড়ে। এর ফলে পায়ের সাহায্যে প্যাডেল দ্বারা রিক্সা চালানো কষ্ট বিধায় রিক্সা চালকগণ ব্যবহার করতে উৎসাহিত হচ্ছে এবং দ্রুতগামী বিধায় যাত্রীগণও আরোহনে সাচ্ছন্দ মনে করছে।

এর ধারাবাহিকতায় বর্তমানে এধরনের রিচার্জেবল ব্যাটারি চালিত অবৈধ অটো ও রিক্সার হার দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। রিচার্জেবল ব্যাটারি চালিত অবৈধ অটো ও রিক্সার রমরমা ব্যবসা চলছে। এগুলো রাস্তায় চলতে গিয়ে অহরহ দুর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে। এতে সাধারণ যাত্রীদের আহতের সংখ্যা কম নয়। প্রতিদিন যাত্রীরা সহ চালকরা আহত হচ্ছেন। এ ব্যাপারে সংশি¬ষ্ট কর্মকর্তার প্রয়োজনীয় কোন পদক্ষেপ না থাকায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে।